মরেও যে বেঁচেছি
মরেও যে বেঁচেছি— বেঁচে থাকাও যে কী আনন্দ, তা তখনই বুঝেছি, যখন আমি মরে গিয়েও আবার বেঁচে উঠেছি। যুগল রাশির পরিসমাপ্তি তখন হবে এক ঘটি জল, আর আমি কুসুমকলির মতো হাসব, খেলব, ঘুরব পুরো নগর। আমি সেদিন ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে বেরাবো যে ক্ষণ, থাকবে না কো সেথা অশ্বারোহী। আমি সেদিন চাঁদ ধরতে জাল ছাড়াবো মনে, জানবো না গো তার শত পরিব্যাপ্তি। নতুন ধানের চাল ফেলে তার কুটোকে করবো লক্ষ্মী। ভোগের পায়েস আগেই খাবো হাড়ি হাড়ি, কিংবা... আমি যে আজ মত্ত বেশি, মরেও যে বেঁচেছি। দেবযানি, হ্যাঁ হ্যাঁ, দেবযানি তুমি— অশ্রুসিক্ত চোখে তুমি যতই করো আকুতি, পাণ্ডুলিপি তোমার আমি এখন শুধু প্রত্যাখ্যান করি। গরলমনা শুদ্ধিপনা এখন আমার চাকরানি। ধিক্ধিকারি করে আমি কোনো মতে বেঁচে আছি। ✒️Thomas T.G.