ন’র অর্ধে নারী—
ন’র অর্ধে নারী—
ন’রের অর্ধে নারী—
আমি ভীরু, ধীর, এক জংলাসু প্রাণ,
খুঁজেছি শুধু তোমারই পথ,
টিমটিমে আলোয় গড়েছি আমার সামান্য সম্পদ।
বেঁধেছিলাম গিট—
যেন খুলে না যায় এই শিথিল নগরী,
তবু তুমি মানলে না;
বিলাপ আর রোদনে গড়লে নতুন ভিত।
এ আমি—নর,
সন্ধ্যা প্রদীপ জ্বালি ক্লান্ত হাতে;
আর তুমি—নারী,
চরকা ঘোরাও গণ্ডিচণ্ডি অবধি, অবিরাম শক্তিতে।
আমি আজ পিশাচ—
দিবারাত্র জ্বলি, নিজ অগ্নিতে দগ্ধ এক অভিশপ্ত প্রাণ,
ঝমুক্তি নেই, রেহাই নেই, নেই কোনো পরিত্রাণ।
আর তুমি—নারী,
নন্দীকালী রূপে জেগে ওঠা প্রলয়ের আগুন,
ভস্ম করো ভণ্ড সব নিয়ম, মিথ্যে সভ্যতার আইনকানুন।
তুমি দাও জীবন, দাও আলো,
ভেদাভেদ রাখো না কোনো ভাণ্ডারে;
তবু কেন ঝরে শত শত পুতুলরূপী কন্যা-দেবী—
এই সভ্যতার নামে দাঁড়ানো নিষ্ঠুর অন্ধকারে?
বল, এ কেমন বিচার—
যেখানে দেবীই হয় বলি, মানুষের ছদ্মবেশী পিশাচের দ্বারে!
হায় হায়—
আজ এ ঘনায়,
মরিলেই যেন বাঁচি, মনে হয়;
তিক্ত এ সমাজ যে সর্বনাশী।
✒️ Thomas T.G.
Comments
Post a Comment