পীড়াগ্রস্ত
পীড়াগ্রস্ত–
দেখ আমি পীড়াগ্রস্ত আত্মা
ওহে কাঙ্গাল কত লইবে ত্রাণ
এবার না হয় থাম বাপু, নাহয় সবি যে হবে নিলাম।
চাহিয়া দেখো তোমার ভ্রাতৃসনদ করিছে হাসফাস,
পাছারিতে তারা হয়েছে আধোপ্রায়।
তবে আমি কোন শব্দ নই,
আমি এক নিঃশব্দের ভাঙ্গা আলো—
যেখানে সন্ধ্যা শুধুই কালো,
যেখানে রাতও হাঁটে ধীরে
বহতা ছায়া টেনে টেনে।
আজ গোধূলি লগ্নের পাখিরাও
হারিয়েছে তাদের সাজ,
অনুভূতিতে জাগায় কেবলই বিমনোদ্রেকের গান।
কিন্তু দূরে কারও বাঁশির সুর
হালকা করে ছুঁয়ে যায় মন,
যেন ব্যথার ভেতরেও বেঁচে আছে কোনো স্মৃতি-উন্মাদনা।
আজ আমি পীড়াগ্রস্ত,
কোন আত্মায় লেখা, কোন মোনাজাতের পাঠ;
যা কেবল বাতাসই বোঝে আর কাতরায়।
আমি হারাই, আবার ফিরে আসি
নিজের ভাঙ্গা দরজার সামনে দাঁড়িয়ে কান্না করি।
হঠাৎ দেখি—দরজার পাশে
সূর্যের ক্ষীণ স্পর্শ পড়ে আছে চুপিসারে,
ডেকে যায় আমার হারানো সত্তাকে।
আর বুঝি—
আমি পীড়াগ্রস্ত,
আর এ আমার মনন ব্যাথা!
✒️Thomas T.G.
Comments
Post a Comment